Home / জাতীয় / সম্পদে মোহ নেই যাঁদের
সম্পদে মোহ নেই যাঁদের

সম্পদে মোহ নেই যাঁদের

সরকারের গত পাঁচ বছরে অনেক মন্ত্রী-এমপি ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সম্পদ বেড়েছে অবিশ্বাস্য হারে। তাঁদের পক্ষে বলতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘ক্ষমতায় থাকলে সম্পদ বাড়া স্বাভাবিক।’ এ তত্ত্বে বিশ্বাসী হয়েও ক্ষমতা ব্যবহার করে নিজের সম্পদ বাড়ানোর সুযোগ নেননি অর্থমন্ত্রী। মন্ত্রী হওয়ার পর উল্টো তাঁর বার্ষিক আয় কমেছে। কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী এবং শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও গত পাঁচ বছরে উল্লেখ করার মতো সম্পদের মালিক হওয়ার নমুনা নেই। আর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বরত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ব্যয় মেটানোর মতো আয়ও নেই। তাই ধার করে ব্যয় মেটান তিনি। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
মুহিতের আয় কমেছে, বড় অংশই ‘সম্মানী’ : ২০০৮ সালে আবুল মাল আবদুল মুহিত বার্ষিক আয় করতেন ২২ লাখ টাকার মতো। অর্থমন্ত্রী হয়েও এখন তাঁর বার্ষিক আয় ১৯ লাখ টাকারও কম। আর পাঁচ বছরে তাঁর সম্পদমূল্য বেড়েছে ৪৪ লাখ টাকার।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, অর্থমন্ত্রীর বার্ষিক আয় ১৮ লাখ ৫১ হাজার ১৫৮ টাকা। এর মধ্যে ব্যবসা থেকে ২৫ হাজার ৮৫৮, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে ছয় লাখ ৫০ হাজার, চাকরির সম্মানী থেকে ১১ লাখ তিন হাজার ও অন্যান্য উৎস থেকে ৭২ হাজার ৩০০ টাকা আয় করছেন।
২০০৮ সালে তাঁর আয়ের পরিমাণ ছিল ২১ লাখ ৯৬ হাজার ৯২৮ টাকা। এ আয়ের বড় উৎস ছিল কনসালট্যান্সি। এ খাত থেকেই তিনি বছরে ১৬ লাখ ২১ হাজার টাকা আয় করতেন। এর বাইরে শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে পাঁচ লাখ ৬৩ হাজার ৬৬৯ ও ব্যবসা থেকে ১২ হাজার ২৫৯ টাকা আয় করতেন।
মুহিতের অস্থাবর সম্পত্তির তালিকায় এবার রয়েছে নগদ তিন লাখ, ব্যাংকে রয়েছে আট লাখ টাকা ও ১৪ হাজার ১৭৮ মার্কিন ডলার এবং বন্ড ও শেয়ারবাজারে রয়েছে ৪২ লাখ টাকা।
২০০৮ সালে মুহিতের অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে ছিল নগদ ২০ হাজার, ব্যাংকে ৯৮ হাজার ৯০৯ টাকা ও দুই হাজার ৭০৬ ডলার, ১৯ লাখ টাকা মূল্যের দুটি গাড়ি ও দেড় লাখ টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক সামগ্রী। আর নির্ভরশীলদের নামে ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ২৫ তোলা স্বর্ণ।
অনলাইনে দাখিল করা নিজের আয়কর রিটার্নে ব্যক্তিগত সম্পদ ও সম্পত্তির বিবরণ গত মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানান মুহিত। এ সময় তিনি বলেন, তাঁর করযোগ্য বার্ষিক আয়ের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১১ লাখ টাকা। এ ছাড়া কর রেয়াতযোগ্য বিভিন্ন উপখাত (সঞ্চয়পত্র, ডলার, বন্ড, ওয়েজ আর্নার) থেকে তাঁর আয় হচ্ছে ১৪ লাখ টাকার কিছু বেশি। এর বিপরীতে ২০১৩-১৪ কর বছরে ৮৪ হাজার ৪৩৬ টাকা আয়কর দেন তিনি।
মন্ত্রী আরো জানান, মহাজোট সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণকালে তাঁর মোট সম্পদের মূল্য ছিল এক কোটি ১৪ লাখ টাকা। গত পাঁচ বছরে এটা এক কোটি ৫৮ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে। বছরওয়ারি সম্পদের প্রবৃদ্ধির হার ৭.৯৪ শতাংশ।
স্বামীর সম্পত্তিই শুধু যোগ হয়েছে মতিয়ার নামে : শুধু গত পাঁচ বছরই নয়, আওয়ামী লীগ সরকারের আগের মেয়াদেও কৃষিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মতিয়া চৌধুরী। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বৈধ আয়বহির্ভূত সম্পদের দায়ে যেখানে দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের অনেক নেতাকেই জেলে যেতে হয়েছে, সেখানে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা হওয়া সত্ত্বেও দুর্নীতি, কর ফাঁকি বা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে একটি মামলাও করা সম্ভব হয়নি মতিয়া চৌধুরীর নামে। মন্ত্রী হিসেবে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালনকালে দক্ষতার সঙ্গে কৃষি উৎপাদন বাড়িয়ে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ যেমন করেছেন, তেমনি ব্যক্তিগত সম্পদ অর্জন থেকেও নিজেকে সরিয়ে রেখেছেন সচেতনভাবেই। ২০০৮ সালের তুলনায় এবারের হলফনামায় মতিয়া চৌধুরীর অস্থাবর সম্পদ বেশি মনে হলেও স্বামী বজলুর রহমান মারা যাওয়ার পর তাঁর সম্পত্তিগুলোও যোগ হয়েছে মতিয়া চৌধুরীর হিসাবে। সন্তানহীন এ দম্পত্তির সব সম্পদই উঠে এসেছে মতিয়া চৌধুরীর নামে।
গত নির্বাচনের আগে ২০০৮ সালে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, মতিয়া চৌধুরীর বার্ষিক আয় ছিল সাত লাখ ৪৯ হাজার ৩৫৯ টাকা। মূলত শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকেই ওই অর্থ আয় করতেন তিনি। এবারের হিসাবে তা বেড়ে হয়েছে ৩৬ লাখ ৭৬ হাজার ৮৫৩ টাকা। স্বামী মারা যাওয়ার পর মতিয়া চৌধুরীর এবারের আয়ের খাতায় কৃষি থেকে ৪০ হাজার, অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া থেকে ৫৬ হাজার ২৫০, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে ২৭ লাখ ৯৩ হাজার ৪০৩, মন্ত্রী হিসেবে সম্মানী ছয় লাখ ৩৭ হাজার ২০০ এবং বক্তৃতা, টেলিভিশন অনুষ্ঠানের সম্মানী ও অন্যান্য উৎস থেকে দেড় লাখ টাকা যোগ হয়েছে।
২০০৮ সালে মতিয়া চৌধুরীর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ছিল ৩৮ লাখ ৬০ হাজার ৬৬৩ টাকা। এর মধ্যে নগদ ৯ হাজার ৭১৫, ব্যাংকে আট লাখ ২০ হাজার ৯৪৮, শেয়ার ৩০ লাখ টাকার, স্বামীর সঙ্গে যৌথভাবে ডাকঘর সঞ্চয়পত্রে ১২ লাখ ও অন্যান্য খাতে ৩০ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ ছিল তাঁর। ওই বছর স্বামী বজলুর রহমানের অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ছিল এক কোটি ৬২ লাখ আট হাজার ১৩৮ টাকা। এর মধ্যে নগদ এক হাজার, ব্যাংকে ২৯ লাখ ৩৯ হাজার ৩৮৫, শেয়ারে এক কোটি পাঁচ লাখ ৪০ হাজার ৭৫৩, পাঁচ লাখ টাকা দামের গাড়ি, দুই হাজার টাকা মূল্যের ১০ ভরি স্বর্ণ, ৬০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী, ১৫ হাজার টাকার আসবাবপত্র ও অন্যান্য খাতে ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার অবস্থাবর সম্পদ ছিল।
পাঁচ বছর আগেকার স্বামী-স্ত্রীর সম্পদ এবারের হলফনামায় মতিয়া চৌধুরীর একক নামে উঠে এসেছে। সে হিসাবে তাঁর মোট অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে দুই কোটি ৯৬ লাখ ৩২ হাজার চার টাকা। এর মধ্যে ব্যাংকে জমা ৪০ লাখ সাত হাজার ৪৬৬, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, বন্ড ইত্যাদি খাতে এক কোটি চার লাখ ২৯ হাজার ৫৩৮, ডাকঘর সঞ্চয়পত্রে এক কোটি ৫১ লাখ, ২০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণ, ৬০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও ১৫ হাজার টাকার আসবাবপত্র রয়েছে।
স্থাবর সম্পদ বলতে পাঁচ বছর আগে যা ছিল, তার সঙ্গে মতিয়া চৌধুরীর নামে যুক্ত হয়েছে ঢাকার অদূরে আশুলিয়ায় ২০ লাখ টাকা মূল্যের দুটি প্লট। এ ছাড়া আগের মতোই ১৫ একর জমির চার ভাগের এক ভাগ কৃষি জমি, সাঁতারকুল মৌজায় এক লাখ টাকা মূল্যের আধা বিঘা অকৃষি জমি ও মধ্য বাড্ডায় মাতৃসূত্রে পাওয়া পাঁচ কাঠা জমি রয়েছে তাঁর। এ ছাড়া অর্জনকালীন মূল্য হিসেবে চার লাখ ৯৪ হাজার ২৯৫ টাকা মূল্যের একটি অ্যাপার্টমেন্টের আগে অর্ধেক মালিকানা ছিল, এখন পুরোটারই মালিক তিনি।
নাহিদের সম্পদ কোটিরও নিচে : সফলভাবে দায়িত্ব পালন ও দেশের শিক্ষা খাতে আমূল পরিবর্তন অর্জনই কেবল নয়, ব্যক্তিভাবেও আয়-উপার্জনে স্বচ্ছতার প্রমাণ রয়েছে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের। এমনকি মন্ত্রীর স্ত্রী হিসেবে অন্যদের মতো অনেক সম্পদের মালিক হননি তাঁর স্ত্রী। গত পাঁচ বছরে স্বামী-স্ত্রীর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ উল্লেখ করার মতো বাড়েনি, যদিও স্বামীর পাশাপাশি সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে স্ত্রীও নিয়মিত আয় করছেন। এই সময়ের ব্যবধানে কোটি টাকার মালিকও হতে পারেননি তাঁরা। উল্টো যুক্তরাজ্যপ্রবাসী ভাই ডা. নজরুল ইসলামের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা নগদ ঋণ নিয়েছেন নাহিদ। ২০০৮ সালে জমা দেওয়া তাঁদের সম্পদ বিবরণীর সঙ্গে ২০১৩ সালের সম্পদ বিবরণী মিলিয়ে এমন চিত্রই পাওয়া গেছে।
নির্বাচন কমিশনে এ বছর জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, নুরুল ইসলাম নাহিদের বার্ষিক আয় ১৭ লাখ ৭২ হাজার ৩০০ টাকা। এর মধ্যে ১৭ লাখ ২২ হাজার ৩০০ টাকা তিনি পান মন্ত্রী হিসেবে সম্মানী ও অন্যান্য উৎস থেকে। বাকি ৫০ হাজার টাকা তিনি আয় করেন কৃষি খাত থেকে। ২০০৮ সালে নাহিদের বার্ষিক আয় ছিল পাঁচ লাখ ৭৪ হাজার ১০৯ টাকা। এর মধ্যে চাকরি থেকে দুই লাখ চার হাজার ১৭৪, মৎস্য চাষ ও লেখালেখির সম্মানী থেকে এক লাখ ৮৫ হাজার, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে এক লাখ ৫৯ হাজার ৯৩৫ ও কৃষি খাত থেকে ২৫ হাজার টাকা।
২০০৮ সালে নাহিদের অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ২৭ লাখ ৩২ হাজার ২০ টাকার। এর মধ্যে নগদ ৪৭ হাজার, ব্যাংকে সাত লাখ ৪৬ হাজার ৪৯৯, ডাকঘর সঞ্চয়পত্রে ১২ লাখ ৪৪ হাজার ৪১২, সাত ভরি স্বর্ণ ও ৪৫ হাজার টাকা মূল্যের আসবাবপত্র।
পাঁচ বছর পর নাহিদের অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৮ লাখ ৩০ হাজার ৫৫০ টাকার। এর মধ্যে নগদ টাকা আড়াই লাখ, ব্যাংকে জমা ৫৫ লাখ ১৪ হাজার ২৫৯ টাকা, ৩২ লাখ ৯১ হাজার ২৯১ টাকা মূল্যের একটি গাড়ি, তিন লাখ টাকার স্বর্ণ, দুই লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আড়াই লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র রয়েছে।
২০০৮ সালে নাহিদের স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ছিল ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৪০২ টাকা। এর মধ্যে নগদ ৬৫ হাজার ৪৫৮, ব্যাংকে এক লাখ ৬১ হাজার ৬৮৬, ডাক সঞ্চয়পত্রে তিন লাখ ৪৭ হাজার ২৫৮, এক লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের সোনা-রুপা ও এক লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের আসবাবপত্র। পাঁচ বছর পর তাঁর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ এখন ৫০ লাখ ১৭ হাজার ৮৪৩ টাকা। এর মধ্যে ব্যাংকে পাঁচ লাখ ১৭ হাজার ৮৪৩ টাকা ও বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে ৪৫ লাখ টাকা রয়েছে।
নুরুল ইসলাম নাহিদ ও তাঁর নির্ভরশীলরা একক ও যৌথভাবে ২০০৮ সালে যে পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তির মালিক ছিলেন, এবারও তা-ই আছেন। পাঁচ বছর আগে দুই একর জমির ছয় ভাগের এক ভাগের ওপর বাড়ি ছিল, এবারও তাই। আগের সেই তিন কাঠা অকৃষি জমি ও পাঁচ একর কৃষি জমির ছয় ভাগের এক ভাগ এবারও রয়েছে। তবে পাঁচ বছরের ব্যবধানে সারা দেশের মতো তাঁর মালিকানাধীন জমির দামও বেড়েছে।
ধারে চলছেন সৈয়দ আশরাফ : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ধার-দেনা করে চলছেন। আয়বর্ধক কোনো পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই তাঁর। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় পেশা হিসেবে ‘সমাজসেবা’র কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। ব্যক্তিগতভাবে তিনি নগদ ৯৮ লাখ টাকা ধার (ঋণ) করেছেন। তাঁর সহায় সম্পদ ২০০৮ সালেও ছিল খুবই কম, এবারও তেমনটিই।
কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, সৈয়দ আশরাফের ৮৫ লাখ টাকা মূল্যের একটি গাড়ি, পাঁচ হাজার টাকা মূল্যের আসবাবপত্র ও ১০ হাজার টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং গুলশানে ৫৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকা মূল্যের একটি প্লট রয়েছে। গত অর্থবছর তাঁর ব্যবসাবহির্ভূত মোট সম্পদ দেখানো হয়েছে ৪৬ লাখ ৭১ হাজার টাকা।
২০০৮ সালের হলফনামায় সৈয়দ আশরাফ তাঁর আয় বলতে কেবল বাসাভাড়া বাবদ ৪৮ হাজার টাকা ও কৃষি খাত থেকে ২০ হাজার টাকা উল্লেখ করেন। ওই বছর বড় ভাই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সৈয়দ শাফায়াতুল ইসলামের কাছে মোট ৮০ লাখ টাকা দেনা দেখিয়েছিলেন তিনি।

আজকের নিউজ আপনাদের জন্য নতুন রুপে ফিরে এসেছে। সঙ্গে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। - আজকের নিউজ