Home / জাতীয় / খালেদা জিয়ার বক্তব্য মিথ্যাচারে ভরপুর: আওয়ামী লীগ

খালেদা জিয়ার বক্তব্য মিথ্যাচারে ভরপুর: আওয়ামী লীগ

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বক্তব্যকে ‘মিথ্যাচারে ভরপুর’ বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা ও বর্তমান সরকারের ভূমি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে’ দাবি করে দলটির নেতা আমির হোসেন আমু বলছেন, এটা উপলব্ধি করেই খালেদা জিয়া এর দায় সরকারের উপর চাপাতে চাইছেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খালেদা জিয়ার সংবাদ সম্মেলনের পর আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন ভূমি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

সংবাদ সম্মেলনের আগে দলের নেতাদের নিয়ে টেলিভিশনে খালেদা জিয়ার সংবাদ সম্মেলনও দেখেন তিনি।

দেরিতে হলেও খালেদা জিয়া ভুল বুঝেছেন উল্লেখ করে আমু বলেন, অনুরোধ করব, আশা করব উনি উপলব্ধি করেছেন। এই উপলব্ধি থেকেই উনি যেন এসব কাজ (নাশকতা) থেকে বিরত থাকেন, এগুলো বন্ধ করেন।

দেশে ‘শান্তি’ ফিরিয়ে আনতে সরকারের প্রচেষ্টাকে সহায়তা করতেও বিরোধী দলীয় নেতার প্রতি আহ্বান জানান আমু।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে নয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে খালেদা জিয়া আন্দোলন করছেন। লংমার্চে খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ অবলম্বন করেছিলেন। তার প্রতিটি আন্দোলনেই যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর জন্য। আমরা আশা করেছিলাম তিনি পাকিস্তানের পার্লামেন্টে নেয়া প্রস্তাবের নিন্দা জ্ঞাপন করবেন। তা করেননি। নিজেকে প্রমাণ করেছেন তিনি যুদ্ধাপরাধী ও পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করছেন। দেশকে পাকিস্তানের মতো অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে চান। এজন্য গণহত্যা চালাচ্ছেন। উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপানোর মতো নিজেকে বাচানোর চেষ্টা করে ধরা পড়ে গেছেন।

বিএনপির নির্বাচনে অংশ না নেয়া প্রসঙ্গে আমু বলেন, জেগে থেকে ঘুমালে কেউ জাগাতে পারবে না। জামায়াত নির্বাচন করতে পারছে না বলেই তাদের দোসর হিসাবে তিনিও (খালেদা) নির্বাচনে আসবেন না।

সংবাদ সম্মেলনে বিরোধী দলের নাশকতার ঘটনাগুলোও তুলে ধরেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের এই সদস্য।

তিনি বলেন, সুন্দর, সুষ্ঠু নির্বাচন জনগণকে উপহার দেব। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তারা (বিএনপি) জিতল, কোনো উচ্চবাচ্য তো হলো না। তাহলে শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে অসুবিধা কী। তত্ত্বাবধায়কের দরকার নেই কারণ আমরা মিথ্যা ভোটার করিনি। আমরা চুরি করেও ধরা পড়িনি। কেন তিনি এ দাবি করছেন আমাদের বোধগম্য নয়। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রহসন কি-না, একদলীয় কি-না সেটা নির্বাচনের পরেই বোঝা যাবে। কে নির্বাচনে আসল, না আসল এর জন্য নির্বাচন প্রহসনের হতে পারে না। বিরোধী দলের আন্দোলন সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টির আন্দোলন। তবে সেটা করার কোনো সুযোগ নেই। সেটা করতেও দেয়া হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্নেরই জবাব দেননি আমু।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নূহ-উল আলম লেনিন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

আজকের নিউজ আপনাদের জন্য নতুন রুপে ফিরে এসেছে। সঙ্গে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। - আজকের নিউজ