Home / জাতীয় / মাত্র ৫ বছরে সরকারদলীয় এমপি-মন্ত্রীদের সম্পদ বেড়েছে ২ হাজার ২শ’ ৯০ গুণ পর্যন্ত

মাত্র ৫ বছরে সরকারদলীয় এমপি-মন্ত্রীদের সম্পদ বেড়েছে ২ হাজার ২শ’ ৯০ গুণ পর্যন্ত

রাজনীতিই এখন দ্রুততম সময়ে সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলার মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাত্র পাঁচ বছরেই সরকার দলের মন্ত্রী-এমপিরা হয়ে উঠেছেন অস্বাভাবিক সম্পদের মালিক। এই সময়ে সরকারদলীয়দের সম্পদ বেড়েছে দুই থেকে ২ হাজার ২৯০ গুণ পর্যন্ত। আর মন্ত্রী-এমপিদের সাথে সাথে তাদের স্ত্রীরাও গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। অথচ পাহাড়সম সম্পদের এসব মালিকের অনেকেরই পেশা কৃষি, ব্যবসা, আইনজীবী, বাড়ি ভাড়া, টিভি টকশো আর সাংবাদিকতা। এতো অল্প সময়ে সাধারণ মানের এসব পেশা থেকে বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে উঠায় জনমনে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার শর্ত হিসেবে নির্বাচন কমিশনে দেয়া হলফনামা থেকে তাঁদের স্বেচ্ছায় ঘোষিত এ সম্পদের হিসাব পাওয়া গেছে। তবে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও সাধারণের দেয়া তথ্য অনুযায়ী সরকারদলীয় মন্ত্রী-এমপিদের অনুল্লেখিত সম্পদের পরিমাণ উল্লেখিত সম্পদের চেয়েও বেশি। নতুন এই তথ্যের সঙ্গে আগের নির্বাচনের সময় ২০০৮ সালে দেয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মন্ত্রী-সাংসদদের অনেকেই অতি দ্রুত সম্পদশালী হয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্মীয় ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান খান, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, নূর-ই-আলম চৌধুরী, হাসান মাহমুদ, আবদুর রহমান বদি, এমএ লতিফ। এর মধ্যে আব্দুল মান্নান খানের সম্পদ বেড়েছে ১০৭ ভাগ, নূর-ই-আলম চৌধুরী ৬৭ গুণ, হাসান মাহমুদের ৪০ গুণ ও তার স্ত্রীর বেড়েছে ২ হাজার ২৯০ গুণ, আবদুর রহমান বদির বেড়েছে ৩৫১ গুণ।

মাহবুব-উল আলম হানিফ
মহাজোট সরকারের পাঁচ বছরে জমি, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, শেয়ার, গাড়ি, বাড়িসহ বিপুল পরিমাণ সম্পদ গড়ে তুলে আঙুল ফুলে কলা গাছ হয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। এই সময়ে প্রায় পাঁচ কোটি টাকায় ৭০ একর জমি কিনেছেন। তিন কোটি টাকা বিনিয়োগ করে নতুন তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করেছেন। গাজীপুরে এক কোটি ৯৮ লাখ টাকায় কিনেছেন তিন একর জমি। বাগেরহাটের মংলা উপজেলার জয়মনিতে দুই কোটি ৯৪ লাখ ৫৪ হাজার ২৭৬ টাকা দিয়ে ৬৬ দশমিক ৫৯৩ একর জমি, জয়মনিতেই দশমিক ৭০ একর জমি দুই লাখ ৮৬ হাজার টাকায়, কুষ্টিয়ার জোড়হাঁসে ১১ লাখ টাকায় জমি কিনে সেখানে ২০ লাখ টাকায় একটি বাড়ি নির্মাণ করছেন তিনি। নগদ আছে প্রায় ৪৪ লাখ টাকা। স্ত্রী ও নিজের নামে কেনা আছে এক কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার। সানমেরিন শিপইয়ার্ডে শেয়ার কেনা বাবদ অগ্রিম দুই কোটি ১০ লাখ টাকা জমা দিয়েছেন এবং সুদমুক্ত ঋণ হিসেবে দিয়েছেন এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা। এক কোটি পাঁচ লাখ ও ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা দামের দুটি গাড়ি রয়েছে তাঁর। বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, দোকান ভাড়া থেকে তিনি বছরে সাত লাখ ২৩ হাজার ৮০০ টাকা আয় করেন। চাকরি বাবদ বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে চার লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং ব্যাংক সুদ বাবদ বছরে চার হাজার ৭৯৯ টাকা দেখানো হয়েছে। এছাড়া হানিফের নামে ন্যাশনাল ব্যাংক কারওয়ান বাজার শাখা থেকে ১২ কোটি ৫০ লাখ ও এক কোটি ১৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯৭ টাকা এবং রূপালী ব্যাংক কুষ্টিয়া শাখা থেকে ৩৫ লাখ টাকা ঋণ নেয়া হয়েছে।

রওশন এরশাদ
জাতীয় পার্টির (জাপা) সভাপতিম-লীর সদস্য রওশন এরশাদের বার্ষিক আয় প্রায় দুই কোটি টাকা। এই অর্থ তিনি বাড়ি ভাড়া, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত ও অন্যান্য খাত থেকে পান। নিজের নামে রয়েছে দুটি ফ্ল্যাট ও একটি বাড়ি। আছে ১০০ ভরি সোনা এবং অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও পাথর দিয়ে তৈরি অলঙ্কারাদি। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেয়া হলফনামা থেকে এসব তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট বা দোকান ভাড়া বাবদ বার্ষিক আয় চার লাখ পাঁচ হাজার ৩৫১ টাকা, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংক আমানত এক কোটি ৯৪ লাখ ৫২ হাজার ৮৩ টাকা এবং অন্যান্য খাতে আয় ১০ লাখ ৪৯ হাজার ৫০ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রওশনের নগদ টাকা পাঁচ লাখ ২৫ হাজার ৭৮২। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা অর্থের পরিমাণ ২৬ কোটি ৩৯ লাখ ২৩ হাজার ৭৫০ টাকা, স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ৫০ লাখ টাকা। তাঁর গাড়ি আছে তিনটি। ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী পাঁচ লাখ ও আসবাবের মূল্য চার লাখ টাকা। স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে কৃষিজমির পরিমাণ ১ দশমিক ৩১৭৫ একর। যার মূল্য ৩৩ লাখ টাকা (অর্জনকালীন সময়)। তাঁর দুটি ফ্ল্যাট ও একটি বাড়ি আছে, যার মূল্য ছয় কোটি ৮০ লাখ টাকা (অর্জনকালীন)। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেয়া হলফনামায় রওশন এরশাদের বার্ষিক আয় ছিল ২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। এর মধ্যে অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া থেকে ১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা এবং শেয়ার থেকে ৫০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে ছিলো নগদ ২ লাখ ২০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অর্থ ১ কোটি ১ লাখ ৯৮ হাজার ২৫৫ টাকা। স্বর্ণ, অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও পাথর নির্মিত অলঙ্কার থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী ৫০ হাজার টাকা ও আসবাবপত্র ১ লাখ টাকা। সে সময় উত্তরা ব্যাংকে তার ঋণ ছিলো ৩ দশমিক ৫ কোটি টাকা।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হলেন তার এলাকার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি। তার বার্ষিক আয় ২৮ লাখ ৩৬ হাজার ৪৬৭ টাকা। ২০০৮ সালে বার্ষিক আয় ছিল ১১ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮৪ টাকা। ২০০৮ সালে তাঁর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ছিল পাঁচ কোটি ৭৮ লাখ ৯৩ হাজার ৫৫২ টাকার। এবার তিনি সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছেন ১০ কোটি ৪১ লাখ তিন হাজার ৫৪৮ টাকার। এ সময়কালে তিনি সাংসদ ও মন্ত্রী হিসেবে পারিতোষিক পেয়েছেন ২১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৫০ টাকা। এবার তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকার দিরাই পৌর শহরে সাত কোটি ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি মার্কেট করেছেন।

আবদুল মান্নান খান
আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী আবদুল মান্নান এবং তার স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ গত ৫ বছরে বেড়েছে ১০৭ গুণ। নির্বাচন কমিশনে দায়ের করা হলফনামা অনুযায়ী, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে এ মন্ত্রী ও তার স্ত্রীর মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল প্রায় ১০ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। কিন্তু সম্প্রতি পেশ করা ২০১৩-১৪ অর্থবছরের আয়কর বিবরণীতে অবিশ্বাস্যভাবে সে অর্থের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৩ লাখ টাকায়। কিন্তু হলফনামায় আবদুল মান্নান তার সম্পদের উৎসের কথা বিশদ ও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেননি। তাঁর স্ত্রী বা অন্য নির্ভরশীলদের বার্ষিক আয় হয়ে গেছে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা।

নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন
মহাজোট সরকারের সময়ে নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন ও তার স্ত্রী সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৬৭ গুণ বাড়িয়েছেন। ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে তিনি যে হলফনামা পেশ করেছিলেন, তাতে তাদের স্থাবর ও অস্থাবর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৬২ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। কিন্তু ২০১৩-১৪ অর্থবছরে নির্বাচন কমিশনে পেশ করা আয়কর বিবরণীর তথ্যানুযায়ী, গত ৫ বছরে এ দম্পতির যৌথ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪১ কোটি ৬৪ লাখ টাকায়। বর্তমানে তার বার্ষিক আয় ১০ কোটি টাকার মতো। অথচ ২০০৮ সালে তাঁর বার্ষিক আয় ছিল মাত্র চার লাখ ৪৮ হাজার টাকা। আবার ২০০৮ সালে দেয়া হলফনামায় তাঁর স্ত্রীর কোনো আয় ছিল না। আর এখন তাঁর স্ত্রীর আয় প্রায় পাঁচ কোটি টাকা।

হাসান মাহমুদ
পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হাসান মাহমুদের তুলনায় বেশি সম্পদের মালিক হয়েছেন তার স্ত্রী নুরান ফাতেমা। অথচ ৫ বছর আগে তিনি ছিলেন সাধারণ একজন গৃহিণী। সে সময় তার সম্পদের পরিমাণ ছিল মাত্র ৬০ হাজার টাকা। কিন্তু বিগত পাঁচ বছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৯০ গুণ। এখন তার সম্পদ ১৪ কোটি ৭৪ লাখ টাকার। ২০০৮ সালে হাসান মাহমুদ ৩৭ লাখ ৫৭ হাজার টাকার মালিক ছিলেন, যা ৪ গুণ বেড়ে এখন দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭২ লাখ টাকায়। হাসান মাহমুদ ও তার স্ত্রীর মোট স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ এখন ১৫ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। ২০০৮ সালে দুই জনের মিলিত সম্পদের পরিমাণ ছিল ৩৮ লাখ ১৭ হাজার টাকা, যা গত ৫ বছরে ৪০ গুণ বেড়েছে।

আবদুর রহমান বদি
আওয়ামী লীগের এমপি আবদুর রহমান বদি জীবনে প্রথমবারের মতো এমপি হয়েই মহাজোট সরকারের পাঁচ বছরে আয় বেড়ে গেছে ৩৫১ গুণ। তার নিট সম্পদ বেড়েছে ১৯ গুণের বেশি। স্ত্রী-ভাই-বোন ও নিজের কর্মচারীর কাছ থেকে আট লাখ টাকা ধার করে ২০০৮ সালের নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহ করেছিলেন। আগামী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দেয়া হলফনামায় বলা হয়েছে, এখন বার্ষিক আয় সাত কোটি ৩৯ লাখ ৩৯ হাজার ৮০৮ টাকা। আর বার্ষিক ব্যয় দুই কোটি ৮১ লাখ ২৯ হাজার ৯২৮ টাকা। গত পাঁচ বছরে তিনি আয় করেছেন ৩৬ কোটি ৯৬ লাখ ৯৯ হাজার ৪০ টাকা। টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য ও টেকনাফে জ্বালানি তেলের ব্যবসা করে এ টাকা অর্জন করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জমা দেয়া হলফনামায় বলেছেন, তখন তাঁর বার্ষিক আয় ছিল দুই লাখ ১০ হাজার ৪৮০ টাকা। আর ব্যয় ছিল দুই লাখ ১৮ হাজার ৭২৮ টাকা।

এমএ লতিফ
মহাজোট সরকারের বিগত পাঁচ বছরে চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ এমপি এমএ লতিফ ও তার স্ত্রীর সম্পদ বেড়েছে বহুগুণ। লতিফের স্ত্রীর নগদ টাকা দেখানো হয়েছে দুই কোটি ১০ লাখ টাকার বেশি। পাঁচ বছর আগে লতিফের স্ত্রীর নামে ব্যাংকে ছিল ৭৬ হাজার ১১৫ টাকা এবং হাতে ছিল ৫০ হাজার টাকা। স্ত্রীর নামে কোনো স্থাবর সম্পদ তখন ছিল না। এবার স্ত্রীর নামে ৭৭ লাখ ১৭ হাজার টাকা মূল্যের একটি অকৃষি জমি দেখানো হয়। লতিফের নগদ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৩৭ লাখ টাকায়। পাঁচ বছর আগে তা ছিল তিন লাখ ৫৫ হাজার টাকা মাত্র।
আসলামুল হক
সাধারণ ভূ-সম্পত্তির মালিক ও অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করা আসলামুল হক গত ৫ বছরে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়ে উঠেছেন। ২০০৮ সালে তার সম্পদ ছিলো সাড়ে ৫ একর জমিসহ মোট ১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। আর এখন তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৫ কোটি টাকা এবং একই সঙ্গে ১৪৫ দশমিক ৬ একর জমির মালিক।

নজরুল ইসলাম বাবু
গত ৫ বছরে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও আওয়ামী লীগের এমপি নজরুল ইসলাম বাবু ও তার স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে ২৪ দশমিক ৭৮ গুণ। ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে তিনি যে হলফনামা পেশ করেছিলেন, তাদের স্থাবর ও অস্থাবর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ২১ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে নির্বাচন কমিশনে পেশ করা আয়কর বিবরণী অনুযায়ী, গত ৫ বছরে এ দম্পতির যৌথ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকায়।

আজকের নিউজ আপনাদের জন্য নতুন রুপে ফিরে এসেছে। সঙ্গে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। - আজকের নিউজ