Home / অর্থনীতি ও বানিজ্য / রিজার্ভে ১৮ বিলিয়ন ডলার

রিজার্ভে ১৮ বিলিয়ন ডলার

প্রথমবারের মতো ১ হাজার ৮০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার মজুদ।
রপ্তানি আয় ও রেমিটেন্সের ইতিবাচক ধারায় রিজার্ভ এই উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মহা ব্যবস্থাপক কাজী ছাইদুর রহমান।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বরেন, বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার পর ‘রিজার্ভ’ ১৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

তিনি জানান, এই অর্থ দিয়ে ৬ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের হাতে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো বিদেশি মুদ্রার মজুদ থাকতে হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার দিন শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৮০৫ কোটি ৪৬ লাখ (১৮ দশমিক ০৫ বিলিয়ন) ডলার, যা সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

রেমিটেন্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা, রপ্তানি আয়ে ১৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, বিদেশি মুদ্রা ও টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকা, বেসরকারি খাতে বিদেশি মুদ্রায় ঋণ নেয়ার সুযোগ দেয়ায় বিদেশি মুদ্রার আন্তঃপ্রবাহ বৃদ্ধি এবং চালের উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি আমদানি ব্যয় হ্রাস পাওয়ায় রিজার্ভ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে উল্লেখ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির বিবেচনায় বর্তমান মজুদ স্বস্তিদায়ক হলেও এ মজুদ আরো বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে। সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রচেষ্টা অব্যহত রয়েছে।”

২০০৯ সালের ১০ ডিসেম্বর রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ১০ বিলিয়ন ডলার। চলতি বছরের ৭ মে ১৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। আর ২২ অক্টোবর তা ১৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়।

আজকের নিউজ আপনাদের জন্য নতুন রুপে ফিরে এসেছে। সঙ্গে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। - আজকের নিউজ