Home / জাতীয় / জাহাঙ্গীরনগরে প্রজাপতির মেলা

জাহাঙ্গীরনগরে প্রজাপতির মেলা

চারদিকে ফুলের বাহার, উড়ছে লাল, নীল, হলুদ, বেগুনীসহ নানা বাহারী রঙের প্রজাপতি। দৃশ্যটা দেখা গেল রাজধানীর অদূরে সাভারে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনোয়ার হোসেন আপন করে নিয়েছেন এ প্রজাপতিগুলোকে। গড়ে তুলেছেন তাদের আবাসভূমি। একযুগেরও বেশি সময় ধরে গবেষণা করছেন তিনি প্রজাপতির নানা প্রজাতি নিয়ে। আর এ প্রজাপতি নিয়েই গতকাল শুক্রবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো দেশের একমাত্র প্রজাপতি মেলা।

‘উড়লে আকাশে প্রজাপতি প্রকৃতি পায় নতুন গতি’— এই শ্লোগানকে ধারণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামের সামনে বসেছিল প্রজাপতির এই মেলা। মেলার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ভিসি অধ্যাপক এমএ মতিন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মেলার মিডিয়া পার্টনার চ্যানেল আইয়ের পরিচালক মুুুকিত মজুমদার বাবু, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক সাজেদা বেগম, মেলার আহবায়ক অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন। মেলায় প্রজাপতি বিষয়ক একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এতে ২২৫টি প্রজাতির প্রজাপতির ছবিসহ বর্ণনা রয়েছে।

আহবায়ক অধ্যাপক মনোয়ার বলেন, জীব-বৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবছরের ন্যায় চতুর্থ বারের মতো এবারো ‘প্রজাপতি মেলা’ আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৩০০ প্রজাতির প্রজাপতি শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শনাক্ত করা হয়েছে ১৭৭টি। সর্বশেষ ২০১০ সালে ব্যামেবা ট্রি ব্রাউন, চেসনাট অ্যাঙ্গল, ব্লু-প্যানসি এবং টিনি গ্যাস ব্লুব নামে চারটি নতুন প্রজাপতি শনাক্ত করেন ড. মনোয়ার। এছাড়াও ‘গাউডি ব্যারণ’ ও ‘কমন ভেলবেট বব’সহ আরো কয়েকটি প্রজাতির প্রজাপতি বাংলাদেশের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েই কেবল পাওয়া যায়। এবারের মেলায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শনাক্ত হওয়া দুটি প্রজাপতির নামকরণ হয়। মেলায় শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, ঘুড়ি ওড়ানো, কুইজ, বক্তৃতা, প্রজাপতি বিষয়ক বির্তক প্রতিযোগিতা, প্রজাপতির ডকুমেন্টারি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

আজকের নিউজ আপনাদের জন্য নতুন রুপে ফিরে এসেছে। সঙ্গে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। - আজকের নিউজ