Home / লাইফস্টাইল / সেক্স ও হোয়াইট ডিসচার্জের মধ্যে সম্পর্ক কী?
সেক্স ও হোয়াইট ডিসচার্জের মধ্যে সম্পর্ক

সেক্স ও হোয়াইট ডিসচার্জের মধ্যে সম্পর্ক কী?

মেয়েদের সাধারণভাবেই কিছুটা হোয়াইট ডিসচার্জ হয়। এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, কারণ, নানা শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়া, হরমোনাল ফাংশনের জন্য এমনটা হয়। আসলে মেয়েদের শরীরে প্রত্যেক মাসেই হরমোনে কিছু পরিবর্তন আসে এবং প্রতি পিরিয়ডিক্যাল সাইকেলে এই চেঞ্জটা হয়। দু’টো পিরিয়ডেন্সের মাঝামাঝি ও পিরিয়ডেসের ঠিক আগে ডিসচার্জের পরিমাণ বেড়ে যায়। এ ছাড়া, বাকি সময়ও কিন্তু ডিসচার্জ হয়, যেটা সম্পূর্ণ নর্মাল। এই প্রসঙ্গে বলে রাখি, এই ডিসচার্জ কিন্তু ভ্যাজাইনাল প্যাসেজের সুরক্ষাকবচ। এ ছাড়াও, ইন্টারকোর্সের সময় বা কোনও কারণে উত্তেজনা হলে ভ্যাজাইনা থেকে এক ধরনের স্লিপারি ডিসচার্জ হয়, যেটা শরীরে স্বাভাবিকভাবেই থাকে ন্যাচারাল লুব্রিক্যান্ট হিসেবে। ভ্যাজাইনার মধ্যে থাকা গ্ল্যান্ডগুলো থেকে এই সিক্রিয়েশন হয়, যা কিনা ইন্টারকোর্সের সময় লুব্রিক্যান্টের কাজ করে এবং ইন্টারকোর্সের সময় এর কারণেই সহজে পেনিস ভ্যাজাইনার ভিতরে প্রবেশ করতে পারে। তবে এই ডিসচার্জের পরিমাণ (তা ইন্টারকোর্স বা উত্তেজনা, যে কারণেই হোক) সবসময় এক নাও হতে পারে। শারীরিক মিলনের সময় কোনওকারণে ভাল রকম উত্তেজনা না হলে অপেক্ষাকৃত কম সিক্রেশন হয়। আর লুব্রিক্যান্ট কম থাকলে ইন্টারকোর্সে অস্বস্তি হতে পারে। তবে এটা জানিয়ে রাখি, কম ডিসচার্জ হওয়াটা কিন্তু কোনও অসুখ নয় বা এতে কোনও অ্যাবনর্মালিটি নেই। প্রত্যেক সাইকেলে ডিসচার্জ যেমন কমে বা বাড়ে, তেমনই তার পরিমাণও এক-একজনের ক্ষেত্রে এক-একরকম হয়। এর মাত্রা নির্ভর করে এক্সাইটমেন্টের উপর।

আজকের নিউজ আপনাদের জন্য নতুন রুপে ফিরে এসেছে। সঙ্গে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। - আজকের নিউজ