Home / বিনোদন / রজনী ফ্যানস, ডোন্ট মিস দা চ্যান্স!
রজনিকান্ত

রজনী ফ্যানস, ডোন্ট মিস দা চ্যান্স!

রজনী মানে ম্যাজিক। রজনী মানে আবেগ। তাঁর ক্যারিশমা ছড়িয়ে বিনোদন থেকে রাজনীতিতে। জন্মাষ্টমী, শিবরাত্রির থেকে কোনও অংশে কম নয় রজনীকান্তের জন্মদিন। দক্ষিণী সুপারস্টারের ৬৩ বছরের জন্মদিনের চিত্রটাও তার থেকে কোনওভাবে আলাদা ছিল না। বরং, কিছুটা বেশিই ছিল। কারণ শুধু আবেগ নয়, ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে তামিল নাড়ুর ভোটব্যাঙ্কও যে নির্ভর করছে তাঁর দাক্ষিণ্যের ওপর।

প্রতি বছরের মতো এবারও জন্মদিনের(১২ ডিসেম্বর, ১৯৫০) দু`দিন আগে থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল উদযাপন। রজনী রয়েছেন ব্যাঙ্গালোরে। তাই সিলিকন শহরের প্রতিটা অটো, রিক্সাই এ দিন সেজে উঠেছিল রজনীর ছবি, ফুল, মালায়। চেন্নাইয়ের টি নগর রাঘবেন্দ্র মন্দিরে ১০৮টি স্বর্ণমূদ্রা দিয়ে পুজো দিয়েছেন সুপারস্টারের সুপার ভক্তরা। গরীবদের মধ্যে খাবার, উপহার বিলি করেছেন অকাতরে। বিভিন্ন জায়গায় বসেছে চক্ষু, রক্তদান শিবিরও। প্রার্থনা চলেছে ভোটব্যাঙ্কে রজনীর আনুকূল্যেরও।

একটু পিছনে তাকালেও বোঝা যাবে পুরো বিষয়টা। ১৯৯৫ সালে তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী নরসিংহ রাওয়ের সঙ্গে দেখা করার পর থেকেই কংগ্রেসকে সমর্থন শুরু করেন রজনীকান্ত। পরের বছর তামিল নাড়ুতে এআইডিএমকের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলে অবস্থান বদল করেন রজনী। ডিএমকে-টিএমসি(তামিল ম্যানিলা কংগ্রেস) আঁতাঁতকে সমর্থন করে রজনী বলেছিলেন, এআইডিএমকে ক্ষমতায় ফিরলে স্বয়ং ভগবানও তামিল নাড়ুকে বাঁচাতে পারবে না। সেই বছর রজনী ম্যাজিকেই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জেতে ডিএমকে-টিএমসি জোট।

রজনী ম্যাজিকে দ্বিতীয় ঝলক দেখা যায় ২০০৪ সালে। রজনী বলেছিলেন ব্যক্তিগত ভাবে ভারতীয় জনতা পার্টিকে সমর্থন করছেন তিনি, কিন্তু কোনও জোটকে সমর্থন করবেন না। সেই বছর লোকসভায় তামিল নাড়ুর ৩৯টি আসনের মধ্যে একটিতেও জয় পায়নি জোট। এরপর ২০১১ সালেও আন্না হাজারের দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেন রজনী। নিজের বিয়ের হলও বিনা পয়সায় দিয়ে দেন দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনের জন্য।

দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে এর মধ্যেই ঝাড়ুর ঘায়ে ঘায়েল কংগ্রেস। তবে সকলেই তাকিয়ে রয়েছেন রজনীর সমর্থনের দিকে। কারণ, ইতিহাস যে বলছে রজনীর দাক্ষিণ্যই নির্ধারন করে দেয় লোকসভা ভোটে তামিল নাড়ুর ভাগ্য।

আজকের নিউজ আপনাদের জন্য নতুন রুপে ফিরে এসেছে। সঙ্গে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। - আজকের নিউজ