Home / অর্থনীতি ও বানিজ্য / গ্রামীণ জনগণের কর্মসংস্থানে ভূমিকা রাখছে প্রাণ-আরএফএল
গ্রামীণ জনগণের কর্মসংস্থানে ভূমিকা রাখছে প্রাণ-আরএফএল

গ্রামীণ জনগণের কর্মসংস্থানে ভূমিকা রাখছে প্রাণ-আরএফএল

গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে এগিয়ে রয়েছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। গ্রুপের কারখানামূহ গ্রামীণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ার কারণে গ্রামীণ জনগণ কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন।

অপর দিকে এসব কারখানাগুলোতে কর্মরত শ্রমিকদের মধ্যে প্রায় ৯০ ভাগই নারী। তারা এখন উপার্জন করতে সক্ষম হওয়ায় সংসারে সহযোগিতা করতে পারছেন। ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি উন্নয়নের পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে দেশেরও উন্নয়নে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ অবদান রেখে চলছে।

এ ব্যাপারে গ্রুপের পরিচালক (মার্কেটিং) কামরুজ্জামান কামাল বললেন, পণ্য উৎপাদনের জন্য দেশীয় কাঁচামাল আমরা ব্যবহার করি। প্রাণ এর বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রায় ৭৮ হাজার চুক্তিভিত্তিক কৃষক ও ১০ হাজার সরবরাহকারী রয়েছেন। দেশের অন্যতম বৃহৎ এই শিল্প পরিবারে প্রায় ৪৫ হাজার কর্মকর্তা ও কর্মচারী সরাসরি কাজ করছেন।

তিনি বলেন, এছাড়া সারাদেশে প্রাণ-আরএফএল পণ্য সরবরাহ করতে গ্রুপের অধীনে প্রায় ১৫ হাজার পরিবেশক রয়েছেন। গ্রুপের বিভিন্ন কারখানাতে নিয়মিত কর্মচারী ছাড়াও বছরের বিভিন্ন মৌসুমে খণ্ডকালীন শ্রমিক প্রয়োজন হয়। আম, পেয়ারা, টমেটো, বাদাম, ডালসহ বিভিন্ন ফসলের মৌসুমে আরও প্রায় ১০ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়। সব মিলিয়ে বলা যায় প্রায় সাত লক্ষাধিক মানুষ তাদের জীবিকার জন্য প্রাণ আরএফএল গ্রুপের উপর নির্ভরশীল।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ এক বিশাল জনসংখ্যার দেশ, এই জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে কাজে লাগাতে আমরা নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছি। দারিদ্র্য ও ক্ষুধা প্রতিটি মানুষের জন্যে অভিশাপ আর এই অভিশাপকে দূর করে মানুষকে মর্যাদা ও আত্মসম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে লাভজনক ব্যবসা পরিচালনা করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

কোম্পানির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সুযোগ সুবিধা প্রসঙ্গে কামরুজ্জামান কামাল জানান, হেড অফিসসহ কারখানাগুলোতে অতি কর্মচারীর মাত্র দুই টাকা টোকেন মানি প্রদান করে খাবার গ্রহণ করে থাকেন। প্রতিটি কারখানাতে কর্মীদের যাতায়াত, থাকার ব্যবস্থা এবং চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে।

আজকের নিউজ আপনাদের জন্য নতুন রুপে ফিরে এসেছে। সঙ্গে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। - আজকের নিউজ