Home / জেলার খবর / জনতার ধাওয়া খেয়ে হেলিকপ্টারে পালিয়ে এলেন এমপি একরামুল
জনতার ধাওয়া খেয়ে হেলিকপ্টারে পালিয়ে এলেন এমপি একরামুল

জনতার ধাওয়া খেয়ে হেলিকপ্টারে পালিয়ে এলেন এমপি একরামুল

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইতে হেলিকপ্টারে উড়ে পালিয়ে এলেন নোয়াখালী-৪(সদর) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী। মঙ্গলবার সকালে হেলিকপ্টারটি প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল আজিম মহিলা ডিগ্রি কলেজ মাঠে এসে পৌঁছলে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা তাকে স্বাগত জানান। পরে সড়কপথে মোটর শোভাযাত্রাসহ গাড়িতে করে দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থার রেস্ট হাউজে পৌঁছেন এমপি একরামুল করিম চৌধুরী। সেখানে উপস্থিত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কাছে দলের বিদ্রোহীপ্রার্থী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আমিরের জন্য ভোট প্রার্থনা করে এমপি একরামুল করিম বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী আমির আমার প্রার্থী। আপনারা তাকে হরিণ মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।
এক পর্যায়ে সেখানে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নৌকা ডুবিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর হরিণ বাঁচানোর স্লোগান দেন তিনি। এ সময় জনতা তাকে ধাওয়া করে। অবস্থা বেগতিক দেখে তিনি দ্রুত হেলিকপ্টার নিয়ে হাতিয়ায় ফিরে আসেন। সেখানে তার সমর্থকদের নৌকার বিরুদ্ধে ভোট প্রয়োগের নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় নোয়াখালী-৬ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আয়েশা ফেরদৌস হাতিয়া থানায় একটি ডায়েরি করেন। ২৪শে ডিসেম্বরের ৮৪৪নং ডায়েরিতে তিনি উল্লেখ করেন, হেলিকপ্টারে চড়ে পার্শ্ববর্তী নোয়াখালী-৪ আসনের এমপি হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপ উপজেলা সদর ও বয়ার চরে গিয়ে তার কর্মী, সংগঠক, ভোটারদের হুমকি-ধমকি দিয়ে এবং হেলিকপ্টারে চড়ে নৌকার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। এ ব্যাপারে আয়েশা ফেরদাউস বিধিসম্মত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মো. ফজলে রাব্বী সাধারণ ডায়েরি নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আজকের নিউজ আপনাদের জন্য নতুন রুপে ফিরে এসেছে। সঙ্গে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। - আজকের নিউজ