Home / জেলার খবর / বন্দরে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

বন্দরে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

বন্দরের উত্তর নোয়াদ্দা এলাকা থেকে এক প্রবাসীর স্ত্রী ইভা আক্তারের (২২) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে বন্দর থানা পুলিশ। আজ রবিবার দুপুরে নিহতের স্বামীর বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ শ্বশুড় রাব্বানী, শাশুড়ি নূরজাহান ও ঝাঁ নার্গিসকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, দুই বছর পূর্বে বন্দর থানার উত্তর নোয়াদ্দা এলাকার রাব্বানী সুখানীর ছেলে সিংগাপুর প্রবাসী সোহেল মিয়ার সাথে ঢাকার যাত্রাবাড়ি এলাকার মোজাম্মেল হকের মেয়ে ইভা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক মাস পরে স্বামী সোহেল সিংগাপুর চলে যান। সোহেল চলে যাওয়ার পর থেকে ইভাকে নিয়ে ঝাঁ ও শাশুড়ির প্রায় সময় ঝগড়া হতো। ২/৩ মাস পূর্বে ইভা যৌথ সংসার থেকে আলাদা হয়ে যায়। এই ঘটনার দুই দিন পূর্বে গৃহবধূ ইভা পিত্রালয় থেকে শ্বশুড় বাড়ি আসে। স্বামী বিদেশে থাকায় ইভার নানী শাশুড়ি জিন্নাত বেগম রাতে তার সাথে ঘুমাত। ঘটনার দিন জিন্নাত বেগম ফজরের সময় ঘুম থেকে উঠে চলে যান। সকাল ৮টায় গৃহবধু ইভার সাথে শাশুড়ির ঝগড়া হয়। এরপর সকাল ১০টায় বাড়ির লোকজন ইভা আত্মহত্যা করেছে বলে চিত্কার দিলে এলাকাবাসী ছুটে আসে। সংবাদ পেয়ে বন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। সুরতহাল রেকর্ড করার সময় সন্দেহ হলে পুলিশ শ্বশুড় রাব্বানী, শাশুড়ি নুরজাহান ও ঝাঁ নার্গিসকে গ্রেপ্তার করে। কয়েক বছর আগেও এ পরিবারে আরও একটি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছিল বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী।

এদিকে নিহতের পিতা-মাতার দাবি, ইভাকে হত্যা করে তার শ্বশুড়-শাশুড়ি ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা করেছে বলে চালানোর চেষ্টা করছে। অপরদিকে গ্রেপ্তারকৃতদের দাবি, তাদের গৃহবধু ইভা পারিবারিক কলহের জের ধরেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

বন্দর থানার ওসি আক্তারুজ্জমান জানান, গৃহবধূর মৃত্যু হত্যা না আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্ত রির্পোটের পর জানা যাবে। নিহতের পিতা-মাতার অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পিতা মোজাম্মেল বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

আজকের নিউজ আপনাদের জন্য নতুন রুপে ফিরে এসেছে। সঙ্গে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। - আজকের নিউজ