Home / জাতীয় / মন্ত্রিসভার শপথ ঠেকাতে রিট

মন্ত্রিসভার শপথ ঠেকাতে রিট

অনুষ্ঠেয় প্রধানমন্ত্রী ও নতুন মন্ত্রিপরিষদের শপথ গ্রহণ ঠেকাতে রিট আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।

মো. ইউনুস আলী আকন্দ নামের ওই আইনজীবী রোববার হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি দায়ের করেন। বিকাল সাড়ে ৩টায় বঙ্গভবনে ওই শপথ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে।

পরে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “নৈতিক অবস্থানের জায়গা থেকে রিট আবেদনটি দায়ের করেছি। আজ ১১ নম্বর কোর্ট (বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মো. খুরশীদ আলম সরকার) বসলে শুনানির চেষ্টা করব।”

আইন সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনের সচিব, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও সংসদ সচিবালয়ের সচিবকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

সংসদ সদস্যদের নামের গেজেটের ওপরেও স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। ওই গেজেট এবং সাংসদদের শপথ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে ন- তা জানতে রুলও চেয়েছেন রিটকারী।

পরবর্তী ৯০দিনের মধ্যে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কেন নির্দেশনা দেয়া হবে না- তাও জানতে চেয়ে রুল চাওয়া হয়েছে আবেদনে।

এতে বলা হয়, সংবিধানের ১২৩(৩) অনুচ্ছেদ অনুসারে পূর্ববর্তী সংসদের মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন সংসদ কার্যভার গ্রহণ করতে পারবে না। ৬৭(১)(ক) অনুচ্ছেদ অনুসারে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন সদস্যরা শপথ না নিলে সদস্যপদ হারাবেন। তবে যুক্তিসঙ্গত কারণে স্পিকার এই সময়সীমা আরো বাড়াতে পারবেন।

“৬৫(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদের সদস্য সংখ্যা হবে ৩০০ জন (নারী সদস্য সহ ৩৫০)। কিন্তু বর্তমানে নবম সংসদসহ সাংসদের মোট সংখ্যা ৬৩৮ জন, যা ৬৫ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

“৭১(১) অনুচ্ছেদ আনুযায়ী কোনো ব্যক্তি একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য হবেন না। কিন্তু বর্তমানে একই ব্যক্তি একই আসনে নবম ও দশম সংসদের সদস্য এবং একই আসনে ২ জন করে সদস্য। তার কারণ ৭২(১) অনুচ্ছেদ মতে নবম সংসদ ভেঙে দেয়া হয়নি বা ৭২(৩) অনুচ্ছেদ অনুসারে নবম সংসদের মেয়াদও শেষ হয়নি।”

রিটে বলা হয়, সরকারের উচিৎ ছিল- ২৫ জানুয়ারির পর গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুসারে গেজেট বিজ্ঞপ্তি করে বা রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংসদ ভেঙে গেজেট করে শপথের ব্যবস্থা করা।

আজকের নিউজ আপনাদের জন্য নতুন রুপে ফিরে এসেছে। সঙ্গে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। - আজকের নিউজ