Home / জাতীয় / দশম জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা

দশম জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে জয়ী হয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। সর্বশেষ ঘোষিত ১২৫ আসনের ফলাফলে আওয়ামী লীগ ৯৫ আসনে জয় পেয়েছে। বাকিগুলো আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ১, জাতীয় পার্টি ১৪, জাসদ ২, ওয়ার্কাস পার্টি ৪ এবং স্বতন্ত্র ৯ আসনে জয়ী হয়েছে।

এর আগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের ১২৭ জন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ২২২ আসনে জিতল। ৩০০ আসনের সংসদে ১৫১ আসন পেলেই সরকার গঠন করা যায়। ২০০৯ সালের নবম সংসদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিল। এবারও আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল।

এদিকে ইতিমধ্যে যেসব আসনের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরাই বেশির ভাগ আসনে জয়ী হয়েছেন। আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতায় গিয়ে এই নির্বাচনে মহাজোট সরকারের বৃহৎ শরিক এইচ এম এরশাদের জাতীয় পার্টির অনেক প্রার্থীও জিতেছেন।আবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেও অনেকে জিতেছেন। আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থীদের সকলেই জয়ী হয়েছেন।

সর্বশেষ পাওয়া নির্বাচনী এলাকার তথ্য:

পঞ্চগড়-২
আওয়ামী লীগের মো. নুরুল ইসলাম এক লাখ ৭ হাজার ৩৬০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। এ আসনে জাসদের এমরান আল আমীন পেয়েছেন সাত হাজার ২৯২ ভোট।

সুনামগঞ্জ-৩
এ আসনে (জগন্নাথপুর-দক্ষিণ সুনামগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের প্রাথী বর্তমান সাংসদ এম এ মান্নান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৩১৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজুস সামাদ আজাদ পেয়েছেন ৪১ হাজার ১২৩ ভোট।

চুয়াডাঙ্গা-১
নৌকা প্রতীক নিয়ে এ আসনে আওয়ামী লীগের সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার এক লাখ ৪৫ হাজার ১৩৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী জাসদের সবেদ আলী পেয়েছেন ২০ হাজার ১০৮ ভোট।

মাগুরা-১
এ আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মহাজোট মনোনীত প্রার্থী মাগুরা জেলা আ.লীগের সাধারন সম্পাদক মো. সিরাজুল আকবর। তিনি ৫৬ হাজার ৫১ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রাথী শ্রীপুর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি কুতুবুল্লাহ হোসেন মিয়া পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৪৭৩ ভোট।

মাগুরা-২
নৌকা প্রতীক নিয়ে এ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন মহাজোট মনোনীত প্রার্থী মাগুরা জেলা আ.লীগের সহসভাপতি বীরেন শিকদার। তিনি পেয়েছেন ৭১ হাজার ৮৬৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রাথী মহম্মদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান পেয়েছেন ৩২ হাজার ৫৭১ ভোট।

নেত্রকোনা
নেত্রকোনার তিনটি আসনেই আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতিকের প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচিতরা হলেন: নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনে ছবি বিশ্বাস জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ কুতুব উদ্দিন তালুকদার রয়েল। নেত্রকোনা-২ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ফুটবলার আরিফ খান জয়। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুন নূর খান। নেত্রকোনা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) আসনে বিজয়ী হয়েছেন ইফতিকার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জাতীয় পার্টির জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া পেয়েছেন ১১ হাজার ৪৬৫ ভোট।

পাবনা-৩
এ আসনে মো. মকবুল হোসেন (আওয়ামী লীগ—নৌকা) ৯৮ হাজার ৩৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে জয়ী হয়েছেন। আবুল কালাম আজাদ (স্বতন্ত্র—আনারস) পেয়েছেন ১২ হাজার ৪৫০।

কক্সবাজার-৪
আওয়ামী লীগের আবদুর রহমান বদি এক লাখ সাত হাজার ৬৭৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বি জাতীয় পার্টির প্রার্থী তাহা ইয়াহিয়া পেয়েছেন সাত হাজার ৩৪০ ভোট।

গোপালগঞ্জ
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসন থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ১৮৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী এ জেড অপু শেখ পেয়েছেন ২ হাজার ৪৩০ ভোট। বাতিল ভোটের সংখ্যা ১ হাজার ৩৪।

নরসিংদী-১
এ আসনের ১১৮ কেন্দ্রের ফলাফলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সাংসদ নজরুল ইসলাম হিরু (নৌকা) পেয়েছেন ৮০ হাজার ৮৯৬ ভোট। জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা জামাল (লাঙ্গল) পেয়েছে ৪ হাজার ৪৭৫ ভোট।

সিলেট-৪
গোয়াইনঘাট, জৈন্তা ও কোম্পানীগঞ্জ নিয়ে গঠিত সিলেট-৪ আসনে সরকার দলীয় সাংসদ ইমরান আহমদ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ৬৪ হাজার ১৫২ ভোট পেয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগেরই যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফারুক আহমদ পেয়েছেন ২৪ হাজার ১৫০ ভোট। ফারুকের প্রতীক ছিল আনারস।

সিরাজগঞ্জ-৫
বেলকুচি-চৌহালী নিয়ে গঠিত আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আ. মজিদ মণ্ডল জয়ী হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান রতন। তিনি দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন।

নোয়াখালী-৬
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আয়েশা ফেরদাউস বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ৬৭ হাজার ৮৮৫ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আমীরুল ইসলাম পেয়েছেন ৩১ হাজার ৫ ভোট।

শেরপুর
শেরপুরের তিনটি আসনে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। শেরপুর-১ (সদর) এ আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের মো. আতিউর রহমান দুই লাখ সাত হাজার ৩৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনে জাসদের আবু সালেহ মো. মনিরুল ইসলাম (মশাল) ৬ হাজার ৪১৭ ভোট পেয়েছেন।

এদিকে শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) এ আসনে মতিয়া চৌধুরী (নৌকা) ১ লাখ ৩৪ হাজার ৮১০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী বদিউজ্জামান বাদশা পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৮৬ ভোট।

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদি-ঝিনাইগাতি) আসনে আ. লীগের প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হক নৌকা প্রতীকে ৯৬ হাজার ৩৩৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হেদায়েতুল ইসলাম আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮ হাজার ৫৪৮ ভোট। লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. খোরশেদ আলম পেয়েছেন ৮ হাজার ১৭৪ ভোট। আর জাসদের এস এম আব্দুর রাজ্জাক মশাল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন দুই হাজার ৪২১ ভোট।

রংপুর-৬
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির (এরশাদ) নুর আলম লাঙ্গল প্রতীকে ৪ হাজার ৯৫৬ ভোট পেয়েছেন।

এ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৬২ হাজার ৭৩৫। ১০৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে দুটি কেন্দ্রের ফল স্থগিত হয়েছে।

রংপুর-৪
টিপু মুনশি (আওয়ামী লীগ—নৌকা) ১ লাখ ১৩ হাজার ৮২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। জাতীয় পার্টির মো. করিম উদ্দিন ভরসা লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ৫ হাজার ৯৮৬ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে ১১৫ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষিত হয়েছে। ৪৫ কেন্দ্রের ফল স্থগিত রয়েছে।

মেহেরপুর-১
এ আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের ফরহাদ হোসেন ৬৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে হারিয়েছেন। ফরহাদ হোসেন ৭৯ হাজার ৪৪৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. ইয়ারুল ইসলাম (স্বতন্ত্র—ফুটবল) ১৪ হাজার ৩০ ভোট পেয়েছেন।

জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন জেলা পরিষদে এ ফল ঘোষণা করেন। তিনি জানান, এ আসনে ৩৭.৬৩ শতাংশ ভোট পড়েছে।

গাজীপুর-৪
এ আসনে সিমিন হোসেন রিমি (নৌকা) ১ লাখ ১২ হাজার ৮৮৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এম এম আনোয়ার হোসেন ৭ হাজার ৮৩৩ ভোট পেয়েছেন। বিএনএফের প্রার্থী সারুয়ারে কায়নাত্ টেলিভিশন প্রতীক নিয়ে ১ হাজার ৬২৬ ভোট পেয়েছেন। কাপাসিয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ ফল ঘোষণা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আলাউদ্দিন আলী। তিনি জানান, এ আসনে ২ লাখ ২৯ হাজার ৫৪০ ভোটের মধ্যে ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৮৩ ভোট পড়েছে। ভোটের হার ৫৩ শতাংশ। বাতিল ভোট ১ হাজার ৩৩৭।

নাটোর-৩
এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জুনাইদ আহমেদ (পলক) নৌকা প্রতীক নিয়ে ৯১ হাজার ৬৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়ার্কার্স পার্টির মিজানুর রহমান হাতুড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ৫০ ভোট। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সালমা খাতুন বেসরকারিভাবে জুনাইদ আহমেদকে জয়ী ঘোষণা করেন। এ আসনে মোট ভোটার দুই লাখ ৪৭ হাজার ১৮০ জন। ভোট পড়েছে এক লাখ চার হাজার ৭০২টি।

চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী। তিনি ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮৫৫ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির (জেপি-মঞ্জু) প্রার্থী অ আ ম হায়দার আলী চৌধুরী ৬ হাজার ৮৪৮ ভোট পেয়েছেন। ভোট বাতিল হয়েছে ১ হাজার ২৮৫টি। এ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৬৮ হাজার ৫৮৮ ভোট। ভোট গ্রহণ শেষে ১১০টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করে সহকারী রিটার্নিং ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ আহমদ খান সন্ধ্যায় জানান, বাঁশখালীতে ৫৮.২৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

চট্টগ্রাম-১২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সামশুল হক চৌধুরী ১ লাখ ২৮ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী (জাতীয় পার্টি—লাঙ্গল) পেয়েছেন ১০ হাজার ১৯৭ ভোট।

দিনাজপুর-৬
এ আসনে (বিরামপুর-নবাবগঞ্জ-হাকিমপুর-ঘোড়াঘাট) আওয়ামী লীগের প্রার্থী শিবলী সাদিক জয়ী হয়েছে। মোট ৪ লাখ ১৩ হাজার ৫৮৫ ভোটের মধ্যে ১ লাখ ১৫ হাজার ২৩৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তাঁর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়ার্কার্স পার্টির রবীন্দ্রনাথ সরেন পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৩৫ ভোট। ভোট বাতিল হয়েছে ১ হাজার ৫৫৭টি।

নারায়ণগঞ্জ-১
এ আসনে আওয়ামী লীগের গোলাম দস্তগীর গাজী নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৫০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জাতীয় পার্টির মো. জয়নাল আবেদীন চৌধুরী পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৩ ভোট।

৩০০ আসনের মধ্যে ভোট ছাড়াই নির্বাচিত হয়ে গেছেন ১৫৩ জন। আজ রোববার ভোট হয়েছে ১৪৭ আসনে। এর মধ্যে ১২০টি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আছেন। শরিক দলের জন্য ছেড়ে দেওয়ায় ২৭টিতে আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী নেই।

 

আজকের নিউজ আপনাদের জন্য নতুন রুপে ফিরে এসেছে। সঙ্গে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। - আজকের নিউজ